বাইবেল

বাইবেল হচ্ছে পবিত্র গ্রন্থগুলোর একটি সংকলন। মুসলিমদের একটি ভুল ধারণা আছে যে তাদের ভাষায় যেটি ইঞ্জিল সেটিই বাইবেল। প্রকৃতপক্ষে এই কথাটি সত্য নয়। মুসলিমরা বিশ্বাস করে আল্লাহ ঈসা (আঃ) এর কাছে কোরআনের মত একটি বই পাঠিয়েছিলেন, সেটিই বাইবেল। আসল বাইবেলের দুটি অংশ রয়েছে, এই দুটি অংশের ধরণও আলাদা। খ্রিস্ট ধর্মের অনুসারিরা বাইবেলের নতুন নিয়ম অনুসরণ করেন।বাইবেলের দুটি ভাগ-

  1. পুরাতন নিয়ম
  2. নতুন নিয়ম

পুরাতন নিয়মঃ বাংলাদেশ বাইবেল সোসাইটি প্রকাশিত বাইবেলের নামকরণ করা হয়েছে ‘কিতাবুল মুকাদ্দস’। এই বইয়ে ওল্ড টেস্টামেন্ট বা, পুরাতন নিয়মকে সম্ভবত নবীদের কিতাব হিসেবে লেখা হয়েছে, সেটিই সত্যি। বিভিন্ন নবীদের কাছে ঈশ্বর যেসব কিতাব পাঠিয়েছিলেন সেগুলোর সংকলনই হচ্ছে ওল্ড টেস্টামেন্ট।বাইবেলের পুরাতন নিয়ম খ্রিস্টানরা ঈশ্বরের বাণী বলে মানলেও অনুসরণ করেন না। তারা মনে করেন, এটি ছিল সেই সময়ের জন্য।

নতুন নিয়মঃ এটিই সেই ধর্মগ্রন্থ যেটি খ্রিস্ট ধর্মের অনুসারিরা পুরোপুরি মেনে চলেন। এটি সরাসরি ঈশ্বরের বাণী নয়। এটি লিখেছেন যিশুর শিষ্যরা অথবা, যিশুর শিষ্যদের সংস্পর্শ পেয়েছেন এমন ব্যক্তিরা। এটিকে একবাক্যে অশুদ্ধ বলে দিতে পারবেন না(অন্য ধর্মের অনুসারীরা অনেক সময় বলেন)। কারণ, এই বইয়ের লেখকদের বর্ণনায় যিশুর জীবন কাহিনী ফুটে উঠেছে যেখানে পরষ্পরবিরোধ নেই বলেই খ্রিস্টানরা মনে করে। একেকজনের লেখা বইকে ইংরেজীতে বলা হয় গসপেল। একই ঘটনার একাধিক বর্ণনা এখানে পাওয়া যাবে।

বাইবেল ডাউনলোডঃ 

মোবাইলের জন্য-  গুগল প্লে স্টোর ভার্সন

কম্পিউটারের জন্য-  pdf ভার্সন

কিছু তথ্যঃ

  • Psalm বাইবেলের সবচেয়ে বড় অধ্যায়( হিব্রু বাইবেলে তৃতীয়)। এটিকেই মুসলিমরা যাবুর কিতাব বলেন, কারণ এটিই দাউদ(আঃ) এর কিতাব
  • সবচেয়ে পুরনো Bible এর কপি পাওয়া যাবে ভ্যাটিকানের লাইব্রেরীতে
  • যিশুর নামের হিব্রু উচ্চারণ দুটি- ইয়েসুস এবং ইয়েশুয়া
  • বুক অফ ওবাদিয়াহ সবচেয়ে ছোট বই

পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশী ভাষায় অনুবাদ হওয়া বইয়ের নাম বাইবেল। ৩৩১২ টি ভাষায় এটি অনুবাদ হয়েছে(অন্তত একটি বই হলেও)।

 

তথ্যসূত্রঃ

  1. https://en.wikipedia.org/wiki/Bible
  2. https://www.history.com/topics/religion/bible

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *